০৬ জানুয়ারি ২০২৫

নিখোঁজ নবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার ঘিরে রামপুরহাটে স্কুলে উত্তেজনা তুঙ্গে!

রামপুরহাটে রক্তগঙ্গা! মুণ্ডু এক বস্তায়, দেহ অন্য বস্তায়, শিক্ষকের নোংরা আসল রূপ ফাঁস, বিক্ষোভে ফুঁসছে গ্রাম!

মাথা আলাদা দেহ আলাদা বস্তায় এ কেমন নৃশংসতা!

  • পুলিশের দাবি, নাবালিকা ছাত্রীকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে তিন টুকরো করে ফেলা হয়েছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে।
  • একটি বস্তায় মাথা পাওয়া গেলেও অপর বস্তায় দেহের উপরের অংশ উদ্ধার করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
  • পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে পরে খুন করা হয়েছে। অপরাধ এতটাই নিখুঁতভাবে ঘটানো হয়েছে যে তদন্তকারীরাও অবাক হয়ে গিয়েছেন।
  • এখনও নিম্নাংশ উদ্ধার না হওয়ায় পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করতে পারছে না। এই দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় রামপুরহাট জুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

শিক্ষক গুরু না হয় যদি হয় নরপিশাচ?

  • পদার্থবিদ্যার শিক্ষক পরিচয়ে অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসছিল।
  • ১৩ বছরের নাবালিকা প্রাপ্তবয়স্ক হলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের।
  • গত ২৮ অগস্ট ছাত্রীকে হেলমেট পরিয়ে বাইকে নিয়ে গিয়েছিলেন শিক্ষক। শিক্ষকের গ্রেফতার হওয়ার পর এলাকায় শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
  • তদন্তকারীরা মনে করছেন, শিক্ষকের ব্যক্তিগত বিকৃত মানসিকতাই এই ঘটনার কারণ। স্কুলে সহকর্মীরাও হতবাক, এমন একজন শিক্ষক এত নৃশংস হতে পারেন তা তারা ভাবেননি।

প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা, অস্ত্র কোথায়?

  • পুলিশ নিশ্চিত, ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছাত্রীকে খুন করা হয়েছে, তবে সেই অস্ত্র এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
  • প্রমাণ লোপাট করতে হত্যার পর আলাদা বস্তায় দেহাংশ ফেলে রাখা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।
  • দেহাংশ ফেলার জায়গা হিসেবে কালভার্ট বেছে নেওয়া হয়েছিল যাতে গোপন থাকে।নাবালিকার দেহ গলে যাওয়া অবস্থায় পাওয়ায় ফরেনসিক টিমের কাজও কঠিন হচ্ছে।
  • তদন্তকারীরা বলছেন, অপরাধের পরিকল্পনা অনেক আগে থেকে করা হয়েছিল।অস্ত্র উদ্ধার না হলে মামলার প্রমাণ আদালতে দুর্বল হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

বিক্ষোভে উত্তাল গ্রাম, পুলিশের সামনেই মারধর!

  • স্কুল খোলার পর প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। পুলিশের সামনেই প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি।
  • পরে কোনওমতে পুলিশ প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে বাঁশ লাঠি ফেলে রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয়রা।
  • গ্রামবাসীর রাগ এতটাই ছিল যে পুলিশের নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই ঘটনার পর থেকে পুরো স্কুল চত্বর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের ঘরে সেক্স টয়? অবাক তথ্য!

  • বিক্ষোভের মাঝেই উঠে আসে প্রধান শিক্ষকের ঘরে সেক্স টয়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য।এক বছর আগেই এই তথ্য সামনে এসেছিল, তবে তখন গুরুত্ব পায়নি।
  • গ্রামবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রীরা অস্বস্তিকর অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছিল।স্কুল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে কেন আগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
  • এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় স্কুলের ভেতরে। ছাত্রীদের সুরক্ষা নিয়ে অভিভাবকরা এখন আতঙ্কে ভুগছেন।

নাবালিকা ছাত্রীই টার্গেট, প্রশ্ন উঠছে বারবার!

  • কেন বিশেষভাবে সপ্তম শ্রেণির এই ছাত্রীকেই টার্গেট করা হল তা তদন্তের বড় প্রশ্ন।
  • পরিবারের দাবি অনুযায়ী শিক্ষক বহুদিন ধরেই ওই ছাত্রীর পিছনে ঘুরছিলেন।বিয়ের প্রতিশ্রুতির নামে ফাঁদ পেতে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
  • পুলিশ খুঁজছে শিক্ষকের অতীত ইতিহাসে এমন কোনো অন্ধকার দিক আছে কি না যদি এই ঘটনা আগে ধরা পড়ত, হয়তো এই খুন এড়ানো যেত বলে অনেকে মনে করছেন।
  • তদন্তকারীরা মনে করছেন, ছাত্রীকে না পাওয়ায় শিক্ষক হিংস্র হয়ে ওঠেন।

রাস্তা অবরোধে জনজীবন থমকে! এখন কী হবে?

  • উত্তেজিত গ্রামবাসীরা রামপুরহাট থেকে ঝাড়খণ্ড-বিহার যাওয়ার রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
  • ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় যানজট তৈরি হয়েছিল ভয়ঙ্করভাবে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি সহজে নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
  • প্রশাসন আতঙ্কে, এই বিক্ষোভ বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা।অভিভাবকেরা স্কুলে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রকাশ্যে।
  • জনজীবন স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও প্রশাসনকে একযোগে মাঠে নামতে হয়েছে।
Editor’s Note
স্কুল কি তবে নিরাপত্তার প্রতীক, নাকি আতঙ্কের আস্তানা? কসবার ল কলেজের তিলোত্তমা মর্মান্তিক পরিণতির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রামপুরহাটের নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহাংশ উদ্ধার—শিউরে উঠছে গোটা বাংলা! শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে হওয়ার কথা স্বপ্ন বোনা, সেখানে গড়ে উঠছে দুঃস্বপ্নের কাহিনি! শিক্ষক যাঁকে অভিভাবকের বিকল্প ভাবা হয়, তিনিই যদি নরপিশাচের রূপ নেন, তবে ছাত্রীর ভবিষ্যৎ কোথায়? সমাজে কি তবে আর কোনো আশ্রয় বাকি নেই যেখানে কন্যারা নিশ্চিন্তে দাঁড়াতে পারবে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাকি জ্ঞানমন্দির, না কি আজ তা ভয়ঙ্কর শিকারক্ষেত্র—এই প্রশ্নেই আজ তোলপাড় রাজ্য! প্রতিদিন একের পর এক ঘটনায় ভেঙে পড়ছে ভরসার প্রাচীর, অভিভাবকেরা আতঙ্কে কাঁপছেন—মেয়েকে স্কুলে পাঠানোই কি আজ সর্বনাশ ডেকে আনার সমান? মেয়েদের সুরক্ষা নিয়ে প্রতিশ্রুতি অনেক, কিন্তু বাস্তব ছবি একটাই—সংরক্ষিত নয়, নিরাপদ নয়, আর নিশ্চিন্তও নয় কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান!

খবর এখন

CHAT SHOW SHORTS

.

ব্রডকাস্ট চ্যানেল

ডেইলি ডিজিটাল নিউজ পেপার