০৬ জানুয়ারি ২০২৫

Happening Now

ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোহলি রোহিতের দারুণ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি চলছে    Cyclone Ditwah ঘিরে বাংলাসহ উপকূলজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে আজ    IFFI সমাপনীতে রাজিনীকান্তকে ঘিরে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা গেল     রাশিয়ার নতুন সামরিক চুক্তি অনুমোদনে বিশ্ব কূটনীতিতে চাপ বাড়ছে     Airbus আপগ্রেডে বিশ্বজুড়ে ফ্লাইট বাতিল দেরির আশঙ্কা বাড়ছে আজ    UFC 324 ঘোষণা লাস ভেগাসে জমবে বছরের সেরা লড়াই    সোনার বাজারে পতন আজ ২২ ক্যারেট দামে বড় ধস    বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দার সম্ভাবনা কেনাকাটা বিনিয়োগে প্রভাব বাড়ছে    NISAR স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা মোতায়েন সফল ভারতীয় বিজ্ঞান অগ্রগতির উল্লাস     CBSE ২০২৬ বোর্ড পরীক্ষায় নতুন কাঠামো শিক্ষার্থীদের সুবিধা বাড়াবে     ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোহলি রোহিতের দারুণ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি চলছে    Cyclone Ditwah ঘিরে বাংলাসহ উপকূলজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে আজ   

এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট AI 171-এর ভয়াবহ দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত বিশ্বেশকুমার রমেশ আজও শারীরিক যন্ত্রণায় ও মানসিক বিপর্যয়ে ভুগছেন। ভাইকে হারানোর শোকে বিধ্বস্ত রমেশ হাঁটতে কষ্ট পান, আর্থিকভাবে ভেঙে পড়েছেন, আর এখনও পর্যন্ত পাননি প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা বা যথাযথ ক্ষতিপূরণ।

আগুনের ইনফার্নো থেকে একমাত্র সারভাইভার বিশ্বেশকুমার রমেশ!

  • ২৪২ জনের প্রাণহানির ভয়াবহ আগুনের মধ্যে একাই জীবিত বেরিয়ে এসেছিলেন বিশ্বেশকুমার রমেশ।
  • তাঁর ভাই অজয়কুমার একই বিমানে প্রাণ হারান, যা তাঁর মানসিক ভাঙনের মূল কারণ।
  • দুর্ঘটনার পর রমেশকে ভারত ও যুক্তরাজ্য—দুই জায়গাতেই চিকিৎসা নিতে হয়।
  • শরীরে বহু চোট, পোড়া ও ভেতরের যন্ত্রণা এখনও তাঁকে কষ্ট দেয়।
  • তিনি এখনো হাঁটতে কষ্ট পান, গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে তাঁর পক্ষে।
  • আগুনের সেই স্মৃতি এখনও তাঁকে তাড়িয়ে বেড়ায়, নিদ্রাহীন রাত তাঁর সঙ্গী।

শারীরিক যন্ত্রণা, মানসিক ভাঙন ও একাকীত্বের লড়াই!

  • রমেশ এখন প্রায় একা, লেস্টারের ঘরে বন্দি, বাইরের জগৎ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করেছেন।
  • শারীরিকভাবে দুর্বল, হাঁটা বা দৈনন্দিন কাজ করতেও এখন অন্যের সহায়তা লাগে।
  • মানসিকভাবে তিনি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছেন, চিকিৎসা না পেয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
  • তাঁর এনএইচএস মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসার আবেদন এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
  • ভাই হারানোর শোক থেকে বেরিয়ে আসতে না পেরে বিষণ্ণতায় ভুগছেন।
  • জীবন নিয়ে এখন তাঁর একমাত্র লড়াই—নিজেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।

দিউ-র ফিশিং ব্যবসা প্রায় ধ্বংসের মুখে!

  • ভাইয়ের সঙ্গে চালানো মাছ ধরার ব্যবসা দুর্ঘটনার পর সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
  • ব্যবসায়িক ক্ষতির ফলে পরিবারের আয়-রোজগারের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
  • আর্থিক সংকটে ভুগছেন রমেশ, কারণ সব দায় তাঁর কাঁধে এসে পড়েছে।
  • ব্যবসা পুনর্গঠন অসম্ভব, কারণ তিনি শারীরিকভাবে এখনও কর্মক্ষম নন।
  • পরিবারের সঞ্চয় প্রায় শেষ, ফলে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় ঢেকে গেছে।
  • ভাই অজয়কুমার ছিলেন ব্যবসার মূল স্তম্ভ, তাঁর অনুপস্থিতিতে কাঠামো ভেঙে পড়েছে।

এয়ার ইন্ডিয়ার ক্ষতিপূরণ প্রস্তাব নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা!

  • এয়ার ইন্ডিয়া তাঁকে একুশ হাজার পাঁচশো পাউন্ড অন্তর্বর্তী ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দিয়েছে।
  • যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার খরচ বিবেচনায় এই অর্থ কার্যত নগণ্য।
  • ক্ষতিপূরণের টাকা চূড়ান্ত পরিশোধ থেকে সমন্বয়ের শর্তে দেওয়া হয়েছে।
  • রমেশের মতে, কোম্পানি মানবিক নয়, কেবল আইনি দায় এড়াতে চায়।
  • তিনি বহুবার উচ্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের অনুরোধ করেও ব্যর্থ হয়েছেন।
  • এয়ার ইন্ডিয়ার দেরি ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে স্থানীয় সমাজে ক্ষোভ ছড়িয়েছে।

সাহায্যের আবেদন ও কর্তৃপক্ষের নীরবতা!

  • কমিউনিটি নেতা সঞ্জীব প্যাটেল ও র‌্যাড সিগার তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
  • তাঁরা বারবার এয়ার ইন্ডিয়া ও যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন।
  • এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রতিক্রিয়া বা সহায়তা পাননি তাঁরা।
  • এয়ার ইন্ডিয়া দাবি করেছে, তারা দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন এবং যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।
  • কিন্তু বাস্তবে রমেশের প্রতি সহমর্মিতার অভাব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে।
  • স্থানীয় প্রশাসনও যথাযথ মানসিক সহায়তা বা আর্থিক সুরক্ষা দেয়নি তাঁকে।

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দাঁড়িয়ে রমেশ!

  • রমেশের এখন প্রধান লক্ষ্য ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল ক্ষমতা ফিরে পাওয়া।
  • ভাই হারানোর শোক তাঁকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে রেখেছে, জীবনযাত্রা থমকে গেছে।
  • ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি ভয় ও সংশয়ে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন।
  • চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের অভাবে অবস্থা আরও কঠিন হচ্ছে।
  • এয়ার ইন্ডিয়া ও সরকারের সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও করুণ হবে বলে আশঙ্কা।
  • তাঁর জীবনের প্রতিটি দিন এখন এক দীর্ঘ পুনর্গঠনের সংগ্রাম হয়ে উঠেছে।
Editor’s Note
এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর থেকে এক মানুষের লড়াই এখন পুরো জাতির কাছে এক প্রশ্ন—দায় কার? বিশ্বেশকুমার রমেশ শুধু একজন “সারভাইভার” নন, তিনি সেই প্রতীক, যিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন মানবিক সহায়তার অভাবে কেমন ভেঙে পড়ে একটি জীবন। যখন এয়ার ইন্ডিয়া ও প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে মুখে আশ্বাস দেয়, কিন্তু কার্যত সহমর্মিতার বদলে কাগজে কলমে দায়সারা মনোভাব দেখায়—তখন প্রশ্ন ওঠে, দুর্ঘটনার পর বেঁচে থাকা মানেই কি এক অনন্ত শাস্তি? ভাই হারানো, ব্যবসা হারানো, স্বাভাবিক জীবন হারানো—সব কিছুর মধ্যেও রমেশের একটাই আশা, একটু মানবিক সহায়তা, একটু আশ্বাস। কিন্তু সেই আশ্বাসই যখন আসছে না, তখন আমাদের সমাজের বিবেক কোথায়? আমরা কি শুধু শোক পালন করব, না কি রমেশের মতো মানুষদের পাশে দাঁড়াব সত্যিকারের দায়িত্ব নিয়ে?

খবর এখন

CHAT SHOW SHORTS

.

ব্রডকাস্ট চ্যানেল

ডেইলি ডিজিটাল নিউজ পেপার