০৬ জানুয়ারি ২০২৫

Happening Now

ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোহলি রোহিতের দারুণ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি চলছে    Cyclone Ditwah ঘিরে বাংলাসহ উপকূলজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে আজ    IFFI সমাপনীতে রাজিনীকান্তকে ঘিরে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা গেল     রাশিয়ার নতুন সামরিক চুক্তি অনুমোদনে বিশ্ব কূটনীতিতে চাপ বাড়ছে     Airbus আপগ্রেডে বিশ্বজুড়ে ফ্লাইট বাতিল দেরির আশঙ্কা বাড়ছে আজ    UFC 324 ঘোষণা লাস ভেগাসে জমবে বছরের সেরা লড়াই    সোনার বাজারে পতন আজ ২২ ক্যারেট দামে বড় ধস    বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দার সম্ভাবনা কেনাকাটা বিনিয়োগে প্রভাব বাড়ছে    NISAR স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা মোতায়েন সফল ভারতীয় বিজ্ঞান অগ্রগতির উল্লাস     CBSE ২০২৬ বোর্ড পরীক্ষায় নতুন কাঠামো শিক্ষার্থীদের সুবিধা বাড়াবে     ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোহলি রোহিতের দারুণ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি চলছে    Cyclone Ditwah ঘিরে বাংলাসহ উপকূলজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে আজ   

দাসপুরের টেরাকোটা মন্দিরে লুকিয়ে ইতিহাসের সোনালি অধ্যায়

বাঁকুড়া নয়, টেরাকোটার ছোঁয়া পাওয়া যায় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরেও। প্রাচীন মন্দিরের দেয়ালে পোড়ামাটির কারুকাজ যেন আজও বয়ে আনে ইতিহাসের স্মৃতি ও ঐতিহ্যের গর্ব।

টেরাকোটার নাম উঠলেই প্রথমেই মনে পড়ে বাঁকুড়ার কথা। কিন্তু পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরেও লুকিয়ে রয়েছে পোড়ামাটির সেই অপূর্ব শিল্প ঐতিহ্য। প্রাচীন মন্দিরের দেয়ালে খোদাই করা টেরাকোটার নকশা যেন আজও বলে যায় ইতিহাসের কাহিনি, সংস্কৃতির শিকড় ও শিল্পীর নিপুণ হাতের ছোঁয়া।

টেরাকোটার টান – বাঁকুড়া নয়, দাসপুরও পিছিয়ে নয়!

  • বাঁকুড়ার টেরাকোটা যেমন বিখ্যাত, তেমনি দাসপুরও সেই ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে যুগের পর যুগ।
  • এখানে প্রাচীন মন্দিরগুলোতে পোড়ামাটির নিখুঁত কাজ চোখে পড়ার মতো, যা সময়ের সাক্ষ্য বহন করছে।
  • দাসপুরের গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে টেরাকোটা শিল্পের অসংখ্য নিদর্শন, যা এখনও পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
  • স্থানীয়রা এই ঐতিহ্যকে জীবিত রাখতে আজও যত্ন করে সেই প্রাচীন স্থাপনাগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
  • বাঁকুড়ার মতই এখানে দেখা যায় দেবদেবীর মূর্তি, ফুল, পাখি, পশুর মোটিফে ভরপুর কাজ।
  • দাসপুর যেন পোড়ামাটির নকশায় আঁকা এক জীবন্ত ইতিহাসের গ্রাম, যেখানে প্রতিটি ইট কথা বলে।

ধনীদের ধর্মভক্তি, শিল্পের সৌন্দর্যে মন্দির নির্মাণ !

  • প্রাচীন দাসপুরের ধনী ব্যবসায়ীরা তাদের ধর্মভক্তি প্রকাশ করতে টেরাকোটার কাজ দিয়ে মন্দির নির্মাণ করতেন।
  • রেশম ব্যবসা, কাঁসাপিতল ও অন্যান্য বাণিজ্য থেকে উপার্জিত অর্থ ব্যয় হতো ধর্মীয় স্থাপনায়।
  • প্রতিটি মন্দিরেই দেখা যেত ভগবানের কাহিনি ফুটিয়ে তোলা শিল্পের ছোঁয়া।
  • এই মন্দিরগুলো শুধু ধর্মীয় স্থান নয়, শিল্পের নিদর্শন হিসেবেও আজ ইতিহাসের সম্পদ।
  • প্রতিটি ইট ও অলঙ্করণের মধ্যে ছিল ভক্তি, ঐশ্বর্য ও সংস্কৃতির মিলন।
  • দাসপুরবাসীর সেই শিল্পপ্রেম আজও পুরোনো মন্দিরের দেয়ালে স্পষ্ট হয়ে আছে।

দাসপুরের মন্দির মানেই ইতিহাসের পাতা উল্টানো!

  • দাসপুরের প্রতিটি মন্দির যেন ইতিহাসের জীবন্ত পৃষ্ঠা, যেখানে সময় থেমে আছে শিল্পে ও সংস্কৃতিতে।
  • গোপীনাথের মন্দির, লক্ষ্মী জনার্দন মন্দির, রায়বাড়ি মন্দির—সবই সময়ের সাক্ষ্য।
  • প্রতিটি মন্দিরের স্থাপত্যে ফুটে ওঠে প্রাচীন কালের সামাজিক ও ধর্মীয় পরিবেশ।
  • এই মন্দিরগুলো শুধু প্রার্থনার স্থান নয়, ইতিহাস জানার পাঠশালা।
  • পোড়ামাটির নকশায় ধরা আছে সেই যুগের জীবনযাত্রা, উৎসব, দেবদেবীর মাহাত্ম্য।
  • প্রতিটি ভাঙা প্রাচীর যেন ইতিহাসের গন্ধ ছড়িয়ে বলে, “আমি অতীতের সাক্ষী।”

পোড়ামাটির নকশায় গাঁথা সময়ের কাহিনি!

  • টেরাকোটার প্রতিটি অলঙ্করণে ফুটে ওঠে সমাজ, ধর্ম ও জীবনের রূপকথা।
  • শিল্পীরা মাটির ছাঁচে যে গল্প বুনেছিলেন, তা আজও মানুষকে মুগ্ধ করে।
  • নকশায় দেখা যায় যুদ্ধ, পূজা, কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন জীবনের প্রতিচ্ছবি।
  • প্রতিটি খোদাই যেন সময়ের ফ্রেমে বন্দি এক অমূল্য শিল্পরূপ।
  • পোড়ামাটির উষ্ণতা যেন আজও ছুঁয়ে যায় দর্শনার্থীর হৃদয়।
  • সেই সময়ের সাধারণ মাটি আজও বহন করছে অনন্ত সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে।

ইতালীয় শব্দে ভারতীয় ঐতিহ্যের ছোঁয়া!

  • ‘টেরাকোটা’ শব্দটি এসেছে ইতালীয় “terra” ও “cotta” শব্দ থেকে, যার অর্থ পোড়া মাটি।
  • এই ইউরোপীয় শব্দ আজ ভারতীয় শিল্পের ঐতিহ্যে বিশেষ স্থান দখল করেছে।
  • ভারতের বহু স্থানে এই পোড়ামাটির শিল্প সাংস্কৃতিক প্রতীক হয়ে উঠেছে।
  • টেরাকোটার শিকড় আজও ভারতের গ্রামীণ জীবনে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত।
  • মাটির শিল্পে যেমন পরিশ্রম আছে, তেমনই আছে বিশ্বাস ও আবেগের সংমিশ্রণ।
  • তাই দাসপুরের প্রতিটি পোড়ামাটির নিদর্শন যেন বিশ্ব ঐতিহ্যের অমূল্য ধন।

আজও টেরাকোটার ছোঁয়ায় বাঁচে দাসপুরের ঐতিহ্য!

  • সময়ের সাথে সাথে মন্দিরগুলো ক্ষয়ে গেলেও শিল্পের স্পর্শ আজও জীবন্ত।
  • স্থানীয়রা এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে আজও সচেতনভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
  • প্রতিটি উৎসব, মেলা ও পূজায় এই পোড়ামাটির শিল্প নতুন করে প্রাণ পায়।
  • অনেক পর্যটক আজ দাসপুর ঘুরে দেখে এই ঐতিহ্যের সৌন্দর্য উপভোগ করেন।
  • প্রশাসনও এখন ধীরে ধীরে এই প্রাচীন মন্দিরগুলির সংরক্ষণে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
  • টেরাকোটার এই ঐতিহ্য শুধু দাসপুর নয়, সমগ্র বাংলার গর্ব হয়ে আছে।
Editor’s Note
দাসপুরের মাটির গন্ধে লুকিয়ে আছে এক অবিশ্বাস্য ইতিহাসের গল্প। বাঁকুড়ার টেরাকোটার খ্যাতি যতই জাঁকজমকপূর্ণ হোক, দাসপুরের মন্দিরগুলিও কম নয় শিল্পের দিক থেকে। প্রতিটি ইট, প্রতিটি পোড়ামাটির কারুকাজ যেন কণ্ঠে কণ্ঠে বলে, “আমিই ইতিহাস।” পুরোনো দিনের ধনী ব্যবসায়ীরা যখন ধর্ম আর সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে মন্দির নির্মাণ করেছিলেন, তখন হয়তো ভাবতেও পারেননি শতাব্দী পরে এই শিল্প এমনভাবে আলোচনায় আসবে। তবু প্রশ্ন থেকেই যায়—দাসপুরের এই ঐতিহ্য আমরা কতটা রক্ষা করতে পেরেছি? সময় কি এই মাটির শিল্পকে মুছে ফেলবে, নাকি নতুন প্রজন্মের হাতেই বাঁচবে টেরাকোটার সেই প্রাচীন জাদু?

খবর এখন

CHAT SHOW SHORTS

.

ব্রডকাস্ট চ্যানেল

ডেইলি ডিজিটাল নিউজ পেপার