Happening Now
সকাল দশটা দশে প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা আজ শহরজুড়ে আতঙ্ক!
আজ সকাল ঠিক ১০টা ১০ মিনিটে প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.৭, ফলে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তে। বহুতল দুলতে থাকায় বাসিন্দারা দ্রুত রাস্তায় নেমে আসেন। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ—প্রায় সর্বত্রই স্পষ্টভাবে কম্পন অনুভূত হয় আজ।
আজ সকাল ঠিক ১০টা ১০ মিনিটে প্রবল ভূমিকম্পে দুলে উঠল গোটা কলকাতা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৭, যা মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। বহুতল ভবনের দুলুনি টের পেয়েই বাসিন্দারা দ্রুত নিচে নেমে আসেন। দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও অনুভূত হয় একই কম্পন। উৎস্থল ছিল বাংলাদেশের ঘোড়াশাল এলাকার কাছে।
শহরজুড়ে প্রবল কম্পনে আতঙ্ক ছড়াল!
- কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় সকাল দশটা দশে স্পষ্ট দুলুনি অনুভূত হওয়ায় মানুষ দ্রুত ঘরবাড়ি ফেলে রাস্তায় নেমে আসে।
- বহুতল ভবনগুলিতে কয়েক সেকেন্ডের দোল তৈরি হওয়ায় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে নিচে নেমে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন সক্রিয়ভাবে।
- মেট্রো থেকে দোকানপাট—বেশ কয়েকটি স্থানে মানুষ হঠাৎ কম্পন টের পেয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে চারদিক নজরদারি বাড়িয়ে দেন।
- শহরের বিভিন্ন অংশে অফিস কর্মীরা হঠাৎ কাঁপুনি অনুভব করে কাজ থামিয়ে ভবনের বাইরে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান নিতে বাধ্য হন।
- সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভূমিকম্পের খবর ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কের পাশাপাশি তথ্য যাচাইয়ের তীব্র চাহিদা তৈরি হয়।
রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প!
- মৌসম ভবন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া তথ্য অনুযায়ী এই কম্পন ছিল মাঝারি মাত্রার হলেও শহরজুড়ে তার প্রভাব যথেষ্ট স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।
- ভূমিকম্পের মাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়ে এবং নিরাপত্তা দপ্তরগুলি সতর্কতার নির্দেশ জারি করে।
- বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই মাত্রার কম্পন বহুতলে দুলুনি সৃষ্টি করতে পারে তবে বড় ধরনের ক্ষয়ের আশঙ্কা সাধারণত তুলনামূলক কম।
- কম্পনের শক্তি দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় একাধিক দফায় কাঁপুনি অনুভবের খবর উঠে আসে বিভিন্ন জেলায়।
- সকালবেলার ব্যস্ত সময়ে এই মাত্রার ভূমিকম্প শহরের পরিবহন ব্যবস্থাকেও সামান্য ধীর করে দেয় মানুষের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে।
বাংলাদেশের ঘোড়াশালের কাছে ছিল উৎস্থল!
- ইউরোপিয়ান মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিকাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের ঘোড়াশাল অঞ্চলের নিকটে কম্পনের মূল উৎস শনাক্ত হয়েছে নিশ্চিতভাবে।
- উৎস্থল কাছাকাছি হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কম্পনের শক্তি সরাসরি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও প্রবল দুলুনি টের পাওয়া গেছে এবং স্থানীয় প্রশাসন সতর্কবার্তা জারি করেছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
- বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভূগর্ভস্থ প্লেটচাপের পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ এই মাত্রার কম্পন সৃষ্টি হয়ে আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায় দ্রুত।
- উৎস্থল স্থানের নিকটতা এবং কম্পনের গভীরতা মিলিয়ে প্রভাব বিস্তারের ব্যাপ্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গ–দক্ষিণবঙ্গে সর্বত্র অনুভূত কম্পন!
- আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদসহ উত্তরবঙ্গজুড়ে অনেকেই স্পষ্টভাবে কম্পন টের পেয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন আতঙ্কে দ্রুত।
- দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর পর্যন্ত কম্পন পৌঁছে যায় এবং মানুষজন সতর্ক হয়ে নিরাপত্তা মেনে চলেন।
- বিভিন্ন জেলার প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে জরুরি কন্ট্রোল রুম সক্রিয় করে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ শুরু করে।
- মানুষজন বাড়ি, অফিস, দোকান থেকে নিচে নেমে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেয় এবং ভূমিকম্পের তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
- স্কুল, হাসপাতালসহ কয়েকটি ভবনে দুলুনি অনুভূত হওয়ায় কর্মীরা দ্রুত সরে এসে ভবন পরিদর্শনের জন্য দায়িত্বশীল বিভাগকে জানান।
নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করল প্রশাসন!
- শহরের বিভিন্ন অংশে জরুরি সতর্কতা জারি করে প্রশাসন মানুষকে শান্ত থাকার পাশাপাশি নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বারবার।
- বহুতল ভবনগুলিতে ফাটল যাচাইয়ের জন্য দ্রুত পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করা যায় যথাযথভাবে।
- বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়িয়ে প্রশাসন নিশ্চিত করছে যাতে কম্পনের কারণে বড় সমস্যা সৃষ্টি না হয় কোথাও।
- জরুরি পরিষেবাগুলি প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে যেকোনো মুহূর্তে উদ্ধার কাজ শুরু করা যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
- নাগরিকদের অযথা আতঙ্ক ছড়াতে নিষেধ করে প্রশাসন শুধুমাত্র সরকারিভাবে যাচাইকৃত তথ্য বিশ্বাস করার পরামর্শ দিয়েছে সবসময়ই।
-
-
-
-
-
-
-
Editor’s Note
কলকাতায় আজকের ভূমিকম্প আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিল—মহানগর যতই ব্যস্ত থাকুক, প্রকৃতির সামনে মানুষের প্রস্তুতি এখনও অপ্রতুল। রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার কম্পন পুরো শহরকে কয়েক সেকেন্ডে স্তব্ধ করে দিয়েছে। আতঙ্কই ছিল সবচেয়ে বড় প্রতিক্রিয়া—যা দেখায়, দুর্যোগ-প্রস্তুতির প্রশিক্ষণ এখনও কতটা অগ্রাহ্য। বহুতল শহরে বাস করেও অধিকাংশ মানুষ জানেন না জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে সরে যেতে হয়। প্রশাসন যদিও দ্রুত সতর্কতা জারি করেছে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা ও প্রস্তুতির ঘাটতি স্পষ্ট। এই ঘটনার পর শহরের প্রয়োজন নিয়মিত ড্রিল, মহড়া এবং ভবন-নিরাপত্তার বড়সড় পুনর্মূল্যায়ন। প্রশ্ন একটাই—পরেরবার আরও বড় কম্পন এলে আমরা কি সত্যিই প্রস্তুত থাকব?
- মৌসম ভবন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া তথ্য অনুযায়ী এই কম্পন ছিল মাঝারি মাত্রার হলেও শহরজুড়ে তার প্রভাব যথেষ্ট স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।
- ভূমিকম্পের মাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়ে এবং নিরাপত্তা দপ্তরগুলি সতর্কতার নির্দেশ জারি করে।
- বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই মাত্রার কম্পন বহুতলে দুলুনি সৃষ্টি করতে পারে তবে বড় ধরনের ক্ষয়ের আশঙ্কা সাধারণত তুলনামূলক কম।
- কম্পনের শক্তি দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় একাধিক দফায় কাঁপুনি অনুভবের খবর উঠে আসে বিভিন্ন জেলায়।
- সকালবেলার ব্যস্ত সময়ে এই মাত্রার ভূমিকম্প শহরের পরিবহন ব্যবস্থাকেও সামান্য ধীর করে দেয় মানুষের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে।
বাংলাদেশের ঘোড়াশালের কাছে ছিল উৎস্থল!
- ইউরোপিয়ান মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিকাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের ঘোড়াশাল অঞ্চলের নিকটে কম্পনের মূল উৎস শনাক্ত হয়েছে নিশ্চিতভাবে।
- উৎস্থল কাছাকাছি হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কম্পনের শক্তি সরাসরি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও প্রবল দুলুনি টের পাওয়া গেছে এবং স্থানীয় প্রশাসন সতর্কবার্তা জারি করেছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
- বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভূগর্ভস্থ প্লেটচাপের পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ এই মাত্রার কম্পন সৃষ্টি হয়ে আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায় দ্রুত।
- উৎস্থল স্থানের নিকটতা এবং কম্পনের গভীরতা মিলিয়ে প্রভাব বিস্তারের ব্যাপ্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গ–দক্ষিণবঙ্গে সর্বত্র অনুভূত কম্পন!
- আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদসহ উত্তরবঙ্গজুড়ে অনেকেই স্পষ্টভাবে কম্পন টের পেয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন আতঙ্কে দ্রুত।
- দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর পর্যন্ত কম্পন পৌঁছে যায় এবং মানুষজন সতর্ক হয়ে নিরাপত্তা মেনে চলেন।
- বিভিন্ন জেলার প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে জরুরি কন্ট্রোল রুম সক্রিয় করে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ শুরু করে।
- মানুষজন বাড়ি, অফিস, দোকান থেকে নিচে নেমে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেয় এবং ভূমিকম্পের তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
- স্কুল, হাসপাতালসহ কয়েকটি ভবনে দুলুনি অনুভূত হওয়ায় কর্মীরা দ্রুত সরে এসে ভবন পরিদর্শনের জন্য দায়িত্বশীল বিভাগকে জানান।
নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করল প্রশাসন!
- শহরের বিভিন্ন অংশে জরুরি সতর্কতা জারি করে প্রশাসন মানুষকে শান্ত থাকার পাশাপাশি নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বারবার।
- বহুতল ভবনগুলিতে ফাটল যাচাইয়ের জন্য দ্রুত পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করা যায় যথাযথভাবে।
- বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়িয়ে প্রশাসন নিশ্চিত করছে যাতে কম্পনের কারণে বড় সমস্যা সৃষ্টি না হয় কোথাও।
- জরুরি পরিষেবাগুলি প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে যেকোনো মুহূর্তে উদ্ধার কাজ শুরু করা যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
- নাগরিকদের অযথা আতঙ্ক ছড়াতে নিষেধ করে প্রশাসন শুধুমাত্র সরকারিভাবে যাচাইকৃত তথ্য বিশ্বাস করার পরামর্শ দিয়েছে সবসময়ই।
-
-
-
-
-
-
-
Editor’s Note
কলকাতায় আজকের ভূমিকম্প আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিল—মহানগর যতই ব্যস্ত থাকুক, প্রকৃতির সামনে মানুষের প্রস্তুতি এখনও অপ্রতুল। রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার কম্পন পুরো শহরকে কয়েক সেকেন্ডে স্তব্ধ করে দিয়েছে। আতঙ্কই ছিল সবচেয়ে বড় প্রতিক্রিয়া—যা দেখায়, দুর্যোগ-প্রস্তুতির প্রশিক্ষণ এখনও কতটা অগ্রাহ্য। বহুতল শহরে বাস করেও অধিকাংশ মানুষ জানেন না জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে সরে যেতে হয়। প্রশাসন যদিও দ্রুত সতর্কতা জারি করেছে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা ও প্রস্তুতির ঘাটতি স্পষ্ট। এই ঘটনার পর শহরের প্রয়োজন নিয়মিত ড্রিল, মহড়া এবং ভবন-নিরাপত্তার বড়সড় পুনর্মূল্যায়ন। প্রশ্ন একটাই—পরেরবার আরও বড় কম্পন এলে আমরা কি সত্যিই প্রস্তুত থাকব?
- আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদসহ উত্তরবঙ্গজুড়ে অনেকেই স্পষ্টভাবে কম্পন টের পেয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন আতঙ্কে দ্রুত।
- দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর পর্যন্ত কম্পন পৌঁছে যায় এবং মানুষজন সতর্ক হয়ে নিরাপত্তা মেনে চলেন।
- বিভিন্ন জেলার প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে জরুরি কন্ট্রোল রুম সক্রিয় করে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ শুরু করে।
- মানুষজন বাড়ি, অফিস, দোকান থেকে নিচে নেমে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেয় এবং ভূমিকম্পের তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
- স্কুল, হাসপাতালসহ কয়েকটি ভবনে দুলুনি অনুভূত হওয়ায় কর্মীরা দ্রুত সরে এসে ভবন পরিদর্শনের জন্য দায়িত্বশীল বিভাগকে জানান।
নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করল প্রশাসন!
- শহরের বিভিন্ন অংশে জরুরি সতর্কতা জারি করে প্রশাসন মানুষকে শান্ত থাকার পাশাপাশি নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বারবার।
- বহুতল ভবনগুলিতে ফাটল যাচাইয়ের জন্য দ্রুত পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করা যায় যথাযথভাবে।
- বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়িয়ে প্রশাসন নিশ্চিত করছে যাতে কম্পনের কারণে বড় সমস্যা সৃষ্টি না হয় কোথাও।
- জরুরি পরিষেবাগুলি প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে যেকোনো মুহূর্তে উদ্ধার কাজ শুরু করা যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
- নাগরিকদের অযথা আতঙ্ক ছড়াতে নিষেধ করে প্রশাসন শুধুমাত্র সরকারিভাবে যাচাইকৃত তথ্য বিশ্বাস করার পরামর্শ দিয়েছে সবসময়ই।
-
-
-
-
-
-
-
Editor’s Note
কলকাতায় আজকের ভূমিকম্প আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিল—মহানগর যতই ব্যস্ত থাকুক, প্রকৃতির সামনে মানুষের প্রস্তুতি এখনও অপ্রতুল। রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার কম্পন পুরো শহরকে কয়েক সেকেন্ডে স্তব্ধ করে দিয়েছে। আতঙ্কই ছিল সবচেয়ে বড় প্রতিক্রিয়া—যা দেখায়, দুর্যোগ-প্রস্তুতির প্রশিক্ষণ এখনও কতটা অগ্রাহ্য। বহুতল শহরে বাস করেও অধিকাংশ মানুষ জানেন না জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে সরে যেতে হয়। প্রশাসন যদিও দ্রুত সতর্কতা জারি করেছে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা ও প্রস্তুতির ঘাটতি স্পষ্ট। এই ঘটনার পর শহরের প্রয়োজন নিয়মিত ড্রিল, মহড়া এবং ভবন-নিরাপত্তার বড়সড় পুনর্মূল্যায়ন। প্রশ্ন একটাই—পরেরবার আরও বড় কম্পন এলে আমরা কি সত্যিই প্রস্তুত থাকব?
Editor’s Note
কলকাতায় আজকের ভূমিকম্প আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিল—মহানগর যতই ব্যস্ত থাকুক, প্রকৃতির সামনে মানুষের প্রস্তুতি এখনও অপ্রতুল। রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার কম্পন পুরো শহরকে কয়েক সেকেন্ডে স্তব্ধ করে দিয়েছে। আতঙ্কই ছিল সবচেয়ে বড় প্রতিক্রিয়া—যা দেখায়, দুর্যোগ-প্রস্তুতির প্রশিক্ষণ এখনও কতটা অগ্রাহ্য। বহুতল শহরে বাস করেও অধিকাংশ মানুষ জানেন না জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে সরে যেতে হয়। প্রশাসন যদিও দ্রুত সতর্কতা জারি করেছে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা ও প্রস্তুতির ঘাটতি স্পষ্ট। এই ঘটনার পর শহরের প্রয়োজন নিয়মিত ড্রিল, মহড়া এবং ভবন-নিরাপত্তার বড়সড় পুনর্মূল্যায়ন। প্রশ্ন একটাই—পরেরবার আরও বড় কম্পন এলে আমরা কি সত্যিই প্রস্তুত থাকব?
খবর এখন
ক্যান্সার ভ্যাকসিন শীঘ্রই, ধন্যবাদ রাশিয়া
রাশিয়ার ল্যাবে বিজ্ঞানীরা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন আবিষ্কার করলেন, যা প্রাথমিক পরীক্ষায় আশ্চর্যজনক ফল দেখিয়েছে, অসংখ্য রোগীর মনে জাগাচ্ছে নতুন আশা ।
পোকা ব্রেইনকে খেয়ে ফেলেছে, কেরালায় ১৯ মৃতো
কেরালায় “ব্রেইন খাওয়া অ্যামিবা” আতঙ্ক ছড়ায়, রোগে আক্রান্তদের জীবন রক্ষায় মিল্টেফোসিন চিকিৎসা কার্যকর হলেও, ২০২৫ সালে ইতিমধ্যেই ১৯ জনের মৃত্যু ঘটে।
হঠাৎ কেন প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন অলি বিক্ষোভ না কি দুর্নীতির অভিযোগ কোনটি আসল কারণ?
সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ তরুণদের বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল, সহিংসতায় নিহত ১৯, শেষমেশ পদত্যাগে বাধ্য কেপি শর্মা অলি।
গাজায় যুদ্ধবিরতি, মোদী ট্রাম্পকে স্বাগত জানালেন!
মোদী ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি স্বাগত জানালেন ও নেতানিয়াহুরকে প্রশংসা করেছেন, মানবিক সহায়তা ও পণবন্দি মুক্তির আশা প্রকাশ।
নিখোঁজ নবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার ঘিরে রামপুরহাটে স্কুলে উত্তেজনা তুঙ্গে!
রামপুরহাটে নাবালিকার মুণ্ডু এক বস্তায়, দেহ অন্য বস্তায় উদ্ধার, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে অপহরণ করা প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার, গ্রামে চাঞ্চল্যপূর্ণ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে।
CHAT SHOW SHORTS
ব্রডকাস্ট চ্যানেল








ডেইলি ডিজিটাল নিউজ পেপার









