০৬ জানুয়ারি ২০২৫

Happening Now

ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোহলি রোহিতের দারুণ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি চলছে    Cyclone Ditwah ঘিরে বাংলাসহ উপকূলজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে আজ    IFFI সমাপনীতে রাজিনীকান্তকে ঘিরে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা গেল     রাশিয়ার নতুন সামরিক চুক্তি অনুমোদনে বিশ্ব কূটনীতিতে চাপ বাড়ছে     Airbus আপগ্রেডে বিশ্বজুড়ে ফ্লাইট বাতিল দেরির আশঙ্কা বাড়ছে আজ    UFC 324 ঘোষণা লাস ভেগাসে জমবে বছরের সেরা লড়াই    সোনার বাজারে পতন আজ ২২ ক্যারেট দামে বড় ধস    বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দার সম্ভাবনা কেনাকাটা বিনিয়োগে প্রভাব বাড়ছে    NISAR স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা মোতায়েন সফল ভারতীয় বিজ্ঞান অগ্রগতির উল্লাস     CBSE ২০২৬ বোর্ড পরীক্ষায় নতুন কাঠামো শিক্ষার্থীদের সুবিধা বাড়াবে     ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কোহলি রোহিতের দারুণ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি চলছে    Cyclone Ditwah ঘিরে বাংলাসহ উপকূলজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে আজ   

বিজেপির আগাম যুদ্ধঘোষণা পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ঢাক বাজল তিন মাস আগেই !

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামল বিজেপি। ভোটের তিন মাস আগেই পথসভা, জনসভা, মোদীর প্রচার—সব মিলিয়ে রাজ্যে শুরু হল আগাম ভোটের উত্তাপ, তৃণমূলকে চাপে ফেলাই কি আসল লক্ষ?

পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণার বহু আগেই বিজেপি ঝাঁপিয়ে পড়ল নির্বাচনী ময়দানে। ১৩ হাজার পথসভা, বিধানসভা স্তরের জনসভা, পাশাপাশি মোদী-শাহ-রাজনাথের টানা প্রচার—রাজ্যজুড়ে শুরু আগাম উত্তাপ। Sir নিয়ে তৈরি রাজনৈতিক পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলকে কোণঠাসা করতেই আগেভাগে যুদ্ধের বাদ্যি বাজাল গেরুয়া শিবির।

বিজেপি বাজাচ্ছে ভোটের ঢাক তিন মাস আগে রাজ্যে!

  • ১৩ হাজার পথসভা পরিকল্পিতভাবে রাজ্যের বিভিন্ন ‘শক্তিকেন্দ্রে’ অনুষ্ঠিত হবে।
  • শুক্রবারই ১,৩০০টি পথসভা একসাথে শুরু হচ্ছে, ফলে রাজ্যে প্রচারের ঝড় উঠবে।
  • জনসাধারণের সামনে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য মোদী ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
  • তৃণমূলকে আগেভাগেই চাপে রাখার জন্য প্রচারাভিযান নিয়মিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
  • রাজ্যে ভোটের উত্তাপ তৈরি করতে তিন মাস আগে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করাই প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাতটি জনসভা রাজ্যে!

  • আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর ও দমদমে ইতিমধ্যেই তিনটি জনসভা হয়েছে।
  • শীতকালীন অধিবেশন শেষ হওয়ার পর নদিয়ার রানাঘাটে প্রথম নতুন জনসভা হবে।
  • প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর আরও জনসভা সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
  • রাজ্য বিজেপির প্রচারণা শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিয়মিত অংশগ্রহণ করবেন।
  • জনসভা ও রোডশো মিলিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব সর্বোচ্চ আকারে পৌঁছানো হবে।

১৩ হাজার ‘শক্তিকেন্দ্র’ পথসভা কেনো?

  • পাঁচ থেকে সাতটি বুথ নিয়ে একটি শক্তিকেন্দ্র তৈরি করা হয়।
  • রাজ্যের মোট ১৩ হাজার শক্তিকেন্দ্রে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
  • প্রতিটি মণ্ডলেই কমপক্ষে একটি পথসভা থাকবে শুক্রবার।
  • পথসভা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত।
  • প্রচারাভিযানকে সর্বাধিক মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য পরিকল্পিত কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

তৃণমূলকে কি আগেভাগেই চাপে ফেলার কৌশল?

  • নির্বাচনের আগাম উত্তাপ তৈরি করতে পরিকল্পিত প্রচারাভিযান।
  • কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতি তৃণমূলের রাজনৈতিক চাপ বাড়াবে।
  • মোদীর জনসভা ও রোডশো তৃণমূলকে প্রস্তুতহীন অবস্থায় রাখবে।
  • শক্তিকেন্দ্র ভিত্তিক পথসভা জনমত প্রভাবিত করবে।
  • তৃণমূলের প্রচারণার সুযোগ কমাতে সময়সূচি অনুযায়ী প্রচারাভিযান হবে।

রাজ্যের নির্বাচনী ময়দানে গেরুয়া শক্তি! হাহাকার!

  • রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি উপস্থিত থাকবেন।
  • জনসভা ও পথসভা মিলিয়ে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন হবে।
  • মোদী-শাহ-রাজনাথসহ অন্যান্য নেতাদের প্রচারণা সমন্বয় করা হবে।
  • ভোটের উত্তাপ তৈরি করতে একটানা প্রচারণা পরিচালিত হবে।
  • রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে প্রচারাভিযান সর্বোচ্চ জোরে চালানো হবে।

সময়ের আগে নির্বাচনী উত্তাপ রাজ্যে! ভাবনা!

  • ১৩ হাজার শক্তিকেন্দ্রে একযোগে পথসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
  • প্রতিটি জনসভায় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতি নিশ্চিত।
  • প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য নেতাদের রোডশো প্রভাব বিস্তারে সহায়ক।
  • প্রচারণা শুরু হওয়ার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক তাপমাত্রা বাড়ানো হচ্ছে।
  • নির্বাচনী প্রচারণা মানে রাজনৈতিক প্রভাব সর্বাধিক আকারে তৈরি করা।
Editor’s Note
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ময়দানে এবার বিজেপি খেলেছে এমন এক ধূমকেতুর মতো কৌশল, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। ভোটের তিন মাস আগেই আনুষ্ঠানিক প্রচারাভিযান শুরু করে তারা রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ভোটের উত্তাপ ছড়াচ্ছে। ১৩ হাজার শক্তিকেন্দ্রে পথসভা, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা, মোদী-শাহ-রাজনাথসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতি—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপকে এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে, যা তৃণমূলকে আগেভাগেই চাপে রাখছে। এই আগাম অভিযান শুধু দলীয় শক্তি প্রদর্শন নয়, এটি সাধারণ মানুষের মনে নির্বাচনী উত্তাপের আগাম বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এই তাড়াহুড়ো ও কৌশলগত প্রচার কি তৃণমূলকে হ্যামার করবে, নাকি রাজ্যের রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও উর্দ্ধমুখী করে তুলবে, আর সাধারণ মানুষ কীভাবে এই আগাম উত্তাপকে গ্রহণ করবে—এই সমস্ত জটিল প্রশ্নই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভাসছে। ?

খবর এখন

CHAT SHOW SHORTS

.

ব্রডকাস্ট চ্যানেল

ডেইলি ডিজিটাল নিউজ পেপার

`